কালের গর্বে হারিয়ে যাওয়া শিল্পী শরীফ উদ্দিন।

একটা সময় গ্রামগঞ্জের টেপ বা ভিসিডি গুলোতে শুধু একটি কন্ঠই বেজে উঠতো । বেশিরভাগ গানগুলো ছিলো মাজার কেন্দ্রিক বাউল গান। গানগুলোর মাঝে মানুষ যেন এক মাদকতা খুঁজে পেতো। মানুষ পাগল হয়ে মনযোগ সহকারে তার গান শুনতো। সে আর কেউ নয়, সে খুব সবার পরিচিত মুখ বাউল শিল্পী শরীফ উদ্দিন। শরীফ উদ্দিনের এক সময় জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী থাকলেও মাঝখানে তিনি ব্যান্ড সংগীত নিয়ে কাজ করে ছিলেন। ধীরে ধীরে শরীফ উদ্দিনের আকাশচুম্বীতে ধস নেমে আসে। বর্তমানে শরীফ উদ্দিনের নতুন কোন বাউল গানের সিডি বাজারে চোখে পড়ে নাহ। এখনো ভক্তদের মনে শরীফ উদ্দিনের গানগুলো স্থান পেয়ে আছে। শরীফ উদ্দিনের অনেক গান এখন ইউটিউবে পাওয়া যায়। গানগুলোর ভিউয়ার চোখে পরার মতো ।এতেই বোঝা যায় একটা সময় শরীফ উদ্দিনের ভক্ত সংখ্যা কত ছিলো !!! বাংলার বাউল মন শ্রোতাদের মাঝে শরীফ উদ্দিনের গানের মাঝে তিনি বেঁচে থাকবেন।

 

( ROaR বাংলা ডটকম থেকে পাওয়া সর্বশেষ শরীফ উদ্দিন নিয়ে তথ্য :  মোটামুটি সমস্ত দেশেই খরমপুরের কেল্লা বাবার ভক্ত বিদ্যমান। অনেক আগে থেকেই দেশের নানা প্রান্তের লোকেরা তার সম্বন্ধে জানতো। একটা সময় পর্যন্ত জানাশোনার সংখ্যাটা এত বেশি ছিল না। কেল্লা বাবার মাজার ও কেল্লা বাবা সম্পর্কে প্রচলিত উপকথা জনপ্রিয় হয়ে উঠে একবিংশ শতকের শুরুর দিকে। ২০০২-০৩ সালের দিকে শরীফ উদ্দিন নামে একজন তরুণ ভাণ্ডারী শিল্পীর আগমন ঘটে। কণ্ঠের মিষ্টতা কম আর বেশি যা-ই থাকুক সে কণ্ঠে ব্যতিক্রমতা ছিল সন্দেহ নেই। তিনি সে সময় কেল্লা বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তার গুণগান করে একটি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ব্যতিক্রমতার কারণে সে অ্যালবাম দ্রুত সময়ে জনপ্রিয় হয়ে যায়। এদিকে মানুষ জানতে শুরু করলো শিল্পী শরীফ উদ্দিন একজন গরীব ও নিম্নশ্রেণীর কর্মচারী। একটি ক্যাসেট ও সাউন্ড রেকর্ডিং-এর দোকানে কাজ করে। দোকানের মালিক তার ব্যতিক্রমী কণ্ঠ শুনে তার মাঝে সম্ভাবনা দেখতে পায় এবং কেল্লা বাবার গানে ঢুকিয়ে দেয়। এ ধরনের গল্পগুলোতে মানুষের খুব আগ্রহ থাকে।
শরীফ উদ্দিন বিখ্যাত হবার সাথে সাথে তার অ্যালবামের পরিমাণও বাড়তে থাকে। সব অ্যালবামই কেল্লা বাবার প্রতি স্তুতি গেয়ে প্রকাশিত। শরীফ এবং শরীফের অ্যালবামের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছেলে-বুড়ো-নারী-পুরুষ সকলের কাছে বিখ্যাত হয়ে যায় কেল্লা বাবার কাহিনী। তবে তার আগেও ভক্তদের মাঝে কেল্লা বাবা এবং তার মাজার সম্পর্কে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত ছিল। (তথ্যসূত্র : RoAr বাংলা )