লীলাবতী’দের গপ্পো – রফিকুল ইসলাম।

শ্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর, হৈমন্তী গল্পটি  লিখেছিলেন তাঁর বড় মেয়ের বাস্তবিক জীবন অবলম্বনে। তাঁর বড় মেয়ে যৌতুকের শিকার হয়েছিলেন এবং যক্ষ্মায় মেয়ে  মারা যাবার পরপরই গুমোট মুখে হৈমন্তী গল্পটি লিখেছিলেন, কবিদের দু:খ প্রকাশের মাধ্যম লেখা  আরকি।
কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ – শাওন দম্পতির প্রথম সন্তান মারা যায় পারিবারিক অসহযোগিতার কারণে। মেয়েকে স্মরণ রাখতে হুমায়ূন আহমেদ লিখেছেন লীলাবতী নামক উপন্যাস এবং লীলাবতী  বইয়ের ভূমিকায় লেখক নিজেই এই গল্প উল্লেখ করেছেন।
লীলাবতী ছিলেন বিখ্যাত গনিতবিদ আর্যভট্টের কন্যা। দেখতে কুৎসিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত  হেনস্তার শিকার হতেন। কিন্তু প্রত্যেক কন্যাই বাবার কাছে রাজকন্যা। মেয়ের নামে লিখে ফেললেন বিখ্যাত গনিতের বই “লীলাবতী” । ফলে, লীলাবতী  ২০০০ বছর যাবৎ  রাজকন্যার আসনে আসীন।