একটি নুডুলস এর গল্প।

মিসেস রিমি এবং মিস্টার সাইফুল একটি সুখী দম্পতি । কিন্তু তারা দুজন’ই চাকুরীজীবি। একজন সারাদিন হাসপাতাল নিয়ে ব্যস্ত আরেকজনে’র ইট-বালির মিশ্রণ মিলাতে মিলাতে সারাদিন চলে যায়৷ সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেই মিসেস রিমি এবং মিস্টার সাইফুলের সাক্ষাৎ হয়।

মিসেস এবং মিস্টারের দুপুরের খাবার যে যার অফিসেই সেরে নেয়৷ কিন্তু ঝামেলা তৈরি হয়ে যায় ডিনার নিয়ে। মিসেস এন্ড মিস্টারে’র ডিনার নিয়ে ঝামেলা হওয়াটাই স্বাভাবিক।

একটা বচন থাকে যে, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের খাবারের স্বাদ নিয়ে কোন অভিযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের স্ত্রী’রা সুখী। সেই সুবাধে মিসেস রিমি ও সুখী। মিস্টার সাইফুলের কখনো খাবার নিয়ে অভিযোগ ছিলো নাহ।

মিসেস রিমি যেটুকু সময় হাতে পান তিনি মিস্টার সাইফুলের পিছনেই সবটুকু সময় ব্যয় করতে চান৷ মিসেস রিমির সারাদিন হাসপাতালে কাটলেও তিনি ছুটির দিনগুলোতে ঘুরতে বেরিয়ে যান মিস্টার সাইফুলের সাথে।

বিয়ের আগেও মিস্টার সাইফুলের সাথে ক্লাসের ফাকে বেরিয়ে পরতেন মিসেস রিমি। তাদের সময় কাটানোর অন্যতম জায়গা ছিলো মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। চিড়িয়াখানার সারস পাখিদের জুটি দেখেই তাদের সময় কাটতো।

দু’জনের সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষ করে মিসেস রিমি তৈরি হয়ে যান রাতের খাবার তৈরি করতে। মিসেস রিমির শর্টকাট রাতের খাবার মেনুতে রাখেন নুডুলস। সীমিত সময়ে তিনি তৈরি করে নেন ঝটপট নুডুলস। মিসেস রিমির নুডুলস রান্নার হাতটা একটু বেশিই পিউর৷

কমেন্ট করুন