‘মা’দিবসে মেকি ভালোবাসা- সরকার মিজান ।

fbt

পশ্চিমা ছেলে-মেয়েরা সাবালক হওয়ার পর থেকেই

বাবা-মাকে ছেড়ে চলে যায়, যে যার মতো কুকুরের ন্যায় বেপরোয়া জীবন-যাপন করে।এ ব্যাপারে বাবা-মায়েরও কিছু বলার থাকেনা। কিছু বললে,ছেলে-মেয়ে যদি পুলিশের কাছে নালিশ করে তাহলে উল্টো বাবা-মায়ের জেল হবে!জন্মদাতা বাবা-মাকে ফেলে সারা বছর এভাবে একাকী থাকা বিষয়টা খুব খারাপ দেখা যায়!! তাই তারা ঠিক করলো অন্তত বছরের একটা দিন বাবা-মার সাথে দেখা করে, একটু-আধটু মেকি

ভালোবাসা প্রকাশ করলে খারাপ হয় না!! তাই তারা ঠিক করলো অমুক দিন মা-দিবস আর তমুক দিন বাবা-দিবস!এই হচ্ছে পশ্চিমাদের তথাকথিত মা দিবস/বাবা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য!ইসলামে এইসব মেকি ভালোবাসার কোন স্থান নেই।ইসলামে একজন মুসলিমের কাছে আল্লাহ্ ও তার রাসুলের পরেই যার স্থান সে হচ্ছেঃ-বাবা-মা।
একজন মুসলিমের কাছে বাবা-মা -প্রতি ভালোবাসা২৪✕৭। কেননা আল্লাহ্সুবাহানাল্লাহু তায়ালা বলেনঃ”পিতামাতার সাথে ভালো ব্যবহার করো।

যদি তোমাদের কাছে তাদের কোনো একজন বা উভয় বৃদ্ধ অবস্থায় উপনীত হয়, তাহলে তাদের সাথে “উহ্”পর্যন্তও বলো না এবং তাদেরকে ধমকের সুরে জবাব দিয়ো না বরং তাদের সাথে মর্যাদা সহকারে কথা বলো । আর দয়া ও কোমলতা সহকারে তাদের সামনে বিনম্র থাকো এবং দোয়া করতে থাকো এই বলে যে,হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া করো,যেমনভাবে তারা দয়া, মায়া ও মমতা সহকারে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন।” (-বনী ইসরাঈল:২৩-২৪)

সুতরাং তথাকথিত মা দিবসে I Love you mom, Forgive me mom জাতীয় নেকামু কথাবার্তা ফেইসবুকে না লিখে পাশের রুমেই শুয়ে থাকা বৃদ্ধ মায়ের হাত-পা গুলো টিপে দিয়ে আসুন, আর এতদিন যে তার কোন কিছু পছন্দ না হইলেই ধমকের সুরে কথা বলছেন,জারি মারছেন সেই জন্যে পা ধরে ক্ষমা চান!!

সরকার মিজান
সহকারি শিক্ষক (আইসিটি)
নাগাইশ মডার্ন স্কুল