শরতের সকাল – ফারহানা কলি।

26167341_10214651593982868_5017356291164876579_n

বাংলা হিসেবে শরৎ কাল.. পেজা তুলার মতো সাদা সাদা মেঘ আকাশ জুড়ে.. কাশবনের হলুদ সাদা কাশ ফুলের জন্য মন কেমন করছে বেশ কিছু দিন । সকালের হিম শীতল বাতাসে হাড় কেঁপে ওঠে মাঝে মাঝে । এই সময়ে গাছে গাছে লাগে রংঙের মেলা .. ধীরে ধীরে গাঢ় সবুজ পাতারা হরেক রকম রংঙে নিজেদের সাজিয়ে তুলে যেন .. মনে রং লেগেছে .. সে এক বাহারি দৃশ্য .. প্রকৃতির এই সাজ আমাকে সব সময় মুগ্ধ করে । এমন দিন গুলোতে উত্তর গোলার্ধের যে অংশে আমার বাস সেখানে শুরু হয় ঋতু পরিবর্তন.. যে সময়কে .. শরৎ আর হেমন্ত এক সাথে বললে ভুল হবে মনে হয় না । কারন এখানে সারা বছরকে চারটি ঋতুতে ভাগ করা ।সময়ের সাথে সাথে মানুষ সব কিছুতেই অভ্যস্ত হয়ে যায়.. তাই আমরা যারা যেখানে আছি তার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিলেও .. কোথায় যেন একটা শূন্যতা থেকেই যায়..

শরত বাবু,
গানের লাইনের মতোই তোমাকে ,খোলা চিঠি লিখে দিলাম।
আকাশে মেঘেদের খেলায় আমি প্রথমে তোমার মুখটাই আঁকি। সেখানে আগের সেই ভালোবাসার চোখটা আর কিন্তু দেখি না ।
মিথ্যে বলছি না , বুকের ডান দিকে হাত রেখে চোখ বন্ধ করে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে দেখো ।
প্রশান্তিতে বুক ভরে যায় না আগের মতো । খুব কি কষ্ট হবে যদি তোমাকে ভুলে যাই ।
তুমি নির্বোধ ভালোবাসা বুঝো, কিন্তু আমাকে বোঝাতে পারনি।

আমি যে দিন বুঝবো সে দিন প্রলয় কান্ড ঘটে যাবে ।

বুদ্ধু তুমি কেনো যে বোঝাতে উঠে পড়ে পিছু নিলে ,

কাশবনের আলিঙ্গনের হিংসে করো।

কবিতা পড়ে শোনালেও তুমি তুমিই থাকবে , সেখানে আর কেউ জায়গা নিতে পারবে না।
শত বছর পরও যদি জানতে চাও ,তবুও ঠিক এমনটিই পাবে যেমনটি রেখে গেছো।

শরতের কোন এক সকালে….শুধু তোমাকে।

print

কমেন্ট করুন