তুমুল বৃষ্টি।- ফারহানা কলি।

28471887_10215156267199383_3383099590132976018_n

লেখা ঃ ফারহানা কলি।

মুষলধারে এই যে নিরলস ভাবে মনের সুখে হাত পা ছড়িয়ে দিয়ে বৃষ্টি নামে , তখন মন উদাস হয় ।মনে হয় আকাশ ফুরে এই যে উথাল পাথাল বৃষ্টি , যেয়ে কাক ভিজা হয়ে আসি । পাড়ি না মনে অশান্তি লাগে । আহ্ বৃষ্টি !
দেখলেই মন জুড়িয়ে প্রশান্তি এনে দেয় । এই কনকনে ঠান্ডা শীতের বৃষ্টিও নিষ্ঠুর, গায়ে পড়লে অভিমানের মতো হিম হয়ে জমে যায় । অনেকক্ষন অনুভব করা যায় ।ভোতা অনুভুতিহীন জীবনে স্পর্শ করে জানান দেয় নিজের ভালোবাসার কথা ।ভালোবাসায় জড়িয়ে কপোত- কপোতিরা উছলিয়ে উঠে এই বৈরী অবস্হায়ও ,মুখর হয় নিজেদের ফিরে পেতে ।

বৃষ্টির_দিনে_ভালোবাসার_মানুষের_হাত_ধরে_পথ_চলতে_চলতেএমনি বৃষ্টি মুখর রাতে যখন তোমার চোখে দেখি ,বন্য ভালোবাসার বান ছোটে।
অদম্য ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো ছাপিয়ে যায় কোলাহলের উচ্চ শিখরে ।
দু’হাতে আগলে রাখা মানবীর প্রেমে অন্ধ হতে চাও নিশিদিন।
নিখাদ সেই কংক্রিট মনে তখন, মাখনের পেলবতার পরশ বুলায়।
দৌড়ে ছুটে যেতে ইচ্ছে করে চন্চল মায়া হরিণীর মতো , 
বুকের উপর আছড়ে পরে ,ঘ্রাণে বিভোর হতে চায় মতোয়ারা।
নতুবা বিচ্ছিন্ন বিন্দুর মতো নিজেকে,
আবিস্কার করে ছলকে পড়া জলের মতো।
কানায় কানায় ভরা কোন ভালোবাসার চৌবাচ্চায় ডুবন্ত ।

শ্যাওলা সবুজ জলে পান কৌড়ির জল কেলি দেখে মন সাঁতার দেয় ।
কোন এক আগন্তুকের হঠাৎ সুর করা গানের সুরে ধ্যান ছুটে যায় সাধুর ,
সপ্তর্শীর ছুটে যাওয়া তারা ছুটে এসে কপালে চুমু খেয়ে ,ঘুম ভাঙানীর গান শোনায়। 
ফিসফিস করে কানের কাছে কেউ বলে যায় ,বৃষ্টিতে ভিজি চলো ।
বানের মতো ভাসিয়ে দিবো ভালোবাসার তুমুল বৃষ্টিতে ।

print

কমেন্ট করুন