ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ- ফারহানা কলি।

ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ- ফারহানা কলি।

১৯৯০ সাল, আমি তখন ৫ম শ্রেণীতে পড়ি স্পষ্ট মনে আছে।
ছোট চাচার কাছ থেকে নিয়ে পড়া শুরু আমার হিমু আর রূপার গল্প।
ছোটদের বই পড়ার হাতে খড়ি যখন ২য় শ্রেণীতে পড়ি । আমার ছোট চাচা আমার গল্পের বইয়ের যোগানদাতা আর স্কুলের লাইব্রেরি । তাছাড়া ছিল আমাদের এলাকার কিছু বই দোকানী । হুম ১৯৯০ সালে প্রথম হূমায়ূন আহমেদ স্যারের বই পড়ি ময়ূরাক্ষী। এরপর আর আমার উপন্যাস পড়া ঠেকাতে পারেনি কেউ। স্কুল, কলেজের লাইব্রেরি থেকে শুরু করে এলাকার যতো লাইব্রেরি ছিল দোকান ছিল সব জায়গা থেকে বই নিয়ে এমন কি ছোট চাচার ড্রয়ার থেকে চুড়ি করে পর্যন্ত পড়েছি ।

 

তবে ময়ূরাক্ষী পড়ে মনে হয়ে ছিল একটা মানুষ এতো সহজ সুন্দর আর সাবলীল ভাষায় কি করে লিখে, কি করে ভালবাসার কথা প্রকাশ করে । অবাক করা হলেও সত্যি এযাবৎ কালে পড়া যতো বই তার মধ্যে এটাই আমার সব চেয়ে প্রিয় হূমায়ূন আহমেদ উপন্যাস। মনে মনে তখন আমিও একটা নদী আঁকতাম যার নাম রেখে ছিলাম ময়ূরাক্ষী।

 

“আজও আমার সেই নদীর নাম ময়ূরাক্ষী।”
“গল্পের জাদুকর ..শিখিয়েছেন কি করে রূপা হয়ে আলতো খোপা করে নীল শাড়ী পড়তে হয়.. কি করে চাঁদনী পশর রাইতে ভালবাসার কথা বলতে হয়.. কি করে জোছনা রাতে খালি পায়ে হাঁটতে হয়। ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় ।
#কলি
#ময়ূরাক্ষী_হূমায়ূনআহমেদ
#মেমোরিলেন
০৭.১৯.২০১৯
নিউ ইর্য়ক ।
Headlines
error: আপনি আমাদের লেখা কপি করতে পারবেন নাহ। Email: Info@mirchapter.com
google.com, pub-4867330178459472, DIRECT, f08c47fec0942fa0