অবাক হওয়া অনুযোগগুলো বিস্মিত চোখে চেয়ে দেখে তোমার আসা যাওয়ার স্বার্থপর তিথি
দেখে তোমার হাহাকার ভরা করুণ বেদনার সপ্তবর্ণা আভাময় ব্যাকুল চপলতা
বাঁকহীন পথের ধার ঘেঁষে যাওয়া তোমার সে মলিন পদচিহ্নের ছন্দ হারানো সুরে ফের ভুল করা
কেমন বধির লাগে তোমাকে তখন, অথচ সবই শ্রাব্য – তুমিও শোন তার সবটুকু রোদন।
বুনো ফুলের ডাক শুনেছো কখনও, ছুঁয়ে দেখার আশ্বাস ভেঙ্গে বুঝেছো তার চাওয়া কি ছিল, নিয়েছো যেচে তার ঘ্রাণ?
জবাবে, না, বলার সাহসটুকুও সঞ্চিত নেই তোমার জানি – কেননা, তুমি নিজেও তার থেকে এখন বেশি ম্রিয়মান
একটা তৈরি হওয়া সাজানো ললিত স্পন্দন গুড়িয়ে দেয়ার দায়ভার বয়ে যাও একাকী এখন ভীষণ সন্তর্পণে
ঠোঁট ছুঁয়ে যায় শব্দগুচ্ছ তোমার, তবু ভাষায় রূপ নেয়ার মত যথেষ্ট বিশ্বাসী নয় তারা, ঠিক যেমন তুমিও !
মাঝে মাঝে খুব শব্দহীনতায় ভুগি আমিও, তোমার সহসা প্রত্যাবর্তন দেখে, টের পাওয়া ঝলকানিও থমকে যায় হঠাৎ
কেমন অচেনা আর দুর্বোধ্য মনে হয় অক্ষরগুলোকে; মনে হয় ওরাও পরাধীন আমার কাছে
মুক্তির লক্ষ্যে তাই শব্দেরা অপলক চেয়ে দেখে আমার বিবাদ ভরা শব্দ চয়ন, আর তার মাঝে খেলে যায় সাহসী রাতের আঁধার
আমিও নির্নিমেষ দেখি আসা যাওয়া – আমার বন্দী আলোকরেখায় তোমার, আর তোমার বৃত্তে ভরা শঠতার।