আমি ডিভোর্সী- মীর সজিব।

007
অয়নের সাথে ডিভোর্স হওয়ার পর একাকিত্বতায় দিন কাটছিলো। অয়নের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলো আমাকে কুড়ে কুড়ে কষ্ট দিচ্ছে। ওর পরিবারের সকল সদস্যদের খুব বেশি মনে পড়ে। শাশুড়ি মায়ের খুব প্রিয় ছিলাম আমি শ্বশুরতো আমাকে কোনদিন মা ছাড়া ডাক দেয় নি।
শাশুড়ি মা’ ডায়াবেটিক’স এর ঔষধ গুলো আজ রেগুলার খাচ্ছেন কিনা তা জানতে খুব ইচ্ছে করে। শ্বশুর মশাই পত্রিকা পড়ার জন্য চশমাটা কেউ খুঁজে দিচ্ছে কিনা জানার খুব আগ্রহ হচ্ছে। তারা ভালো আছেতো!!! নাকি আমার মতো স্মৃতিগুলো তাদেরও কুড়ে কুড়ে কষ্ট দিচ্ছে।
অয়নের সাথে আমার বিয়ে হয় পারিবারিক ভাবেই। দুই পরিবারের সম্মতিতে আমাদের বিয়ে কার্যাদি সমাপ্ত হয়। খুব ভালই চলছিলো আমাদের বিয়ের পরের জীবন। বাড়ির একমাত্র পুত্রবধূ হওয়ার ফলে আদরের কোন শেষ ছিলো না।শ্বশুর -শাশুড়ি’র আদরের তো কোন ঘাটতিই ছিলো না।
তবে অয়ন কেমন যেন আমার প্রতি উদাসীন থাকতো। তারপরেও আমি অয়নের এই ব্যাপারটা নিয়ে কখনো কোন মন্তব্য করিনি। একজন স্বামীর প্রতি তার স্ত্রী’র যতটুকু কর্তব্য তার থেকে বেশি করেছি। অনেক রাত করে বাড়ি ফিরলেও আমার কোন নালিশ ছিলনা। অয়নের জন্য রাতের খাবার নিয়ে বসে থাকতাম। তবে অয়নের কাছে এই ব্যাপারটা খুব একটা বেশি ভালো লাগতো না।
অয়ন আমাকে বিয়ের পর কোথাও ঘুরতে নিয়ে যেতো না।এ বিষয় নিয়েও আমার কোন কষ্ট ছিলো না। সবকিছু মানিয়ে নিতাম। শ্বশুর-শাশুড়ির ভালোবাসায় আমি সব সময় সিক্ত থাকতাম।
অয়নের এই বিষয়গুলো আমাকে খুব বেশি কষ্ট দিলেও আমি কোনদিন তা প্রকাশ করি নি। অয়ন খুব একটা বেশি পজেটেবলি নিতো না আমাকে।
এভাবে সময় কাটতে থাকে আমার। হঠাৎ অয়ন ব্যাবসায়িক কাজে মালয়েশিয়া যাবে। ব্যাবসায়িক কাজে মালয়েশিয়া যাবে তাতে আমার বাধা দেওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না। অয়ন মালয়েশিয়া যাওয়ার পর আমার সাথে আর কথা হয়নি তার। বাবা-মা’য়ের সাথে কথা বলেই ফোন রেখে দেয়।
কিছুদিন পর দরজার কলিংবেল পড়লে দরজা খুলে দেখি একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে, কি চায় জিজ্ঞেস করতেই উনি বলেন, আপনিই কি মিথিলা? আমি মাথা নাড়ালাম হ্যা আমিই মিথিলা। আপনার একটি চিঠি আছে, আমার হাতে চিঠিটা ধরিয়ে দিয়েই লোকটি চলে গেলেন। লোকটির চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলাম।
দরজা বন্ধ করে আমার রুমে চলে আসি, খামটি ছিঁড়ে ভিতরের কাগজটা দেখেই আমার মাথার উপর যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। আমি এই দৃশ্যটি দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। অনেকক্ষণ কান্না করেছি। বৃদ্ধ শ্বশুর শাশুড়ি’র চোখের পানি দেখে আমার আরো বেশি কষ্ট লেগেছে।
বিধাতা’র খেলাটা তাহলে আমাকে নিয়েই খেললেন। আমার অপরাধ কি কালো হয়ে জন্মেছি বলে!!! কালো মেয়েদের কি একটি সংসার থাকতে পারে না?
আমিতো বিধাতা’র সৃষ্টি মানুষ ছিলাম, আমাকে তো বিধাতায় বানিয়েছেন।
– ছোট গল্প।

 

The day after he was a divoor, he was cut off. The moments that are spent with this are hurting me with a crush. All members of his family remember very much. My mother-in-law has never called me without her mother
The mother-in-the-same wants to know if she has a regular eating regimen. The father-in-law is very interested in finding out if someone is looking for a newspaper to read it. They’re good!!! Or the memories like me are hurting them in the garbage.
I was married to the same family. Our marriage ended with the consent of the two families. It was very good to have a life next to our marriage. There was no end to the bellowing of being the only daughter of the house. There was no shortage of father-in-law’s bellers
The Suns would have been indifferent to me, however. Still, I’ve never commented on the issue of this. He has more than just his wife’s duties on a husband. I didn’t complain when I was home for a long night. I used to sit on dinner for the night. But the issue didn’t seem to be much better.
The Suns wouldn’t have taken me anywhere after the wedding. I had no trouble with that. Everything fits. I used to love my father-in-law all the time
I never disclosed the issues of the day to me too much. The Suns don’t have a lot of that.
It’s my time to swim. Suddenly, the Suns will go to Malaysia in business action. I have no question of preventing me from going to Malaysia in business. After going to the Suns Malaysia, I didn’t talk to him anymore. The parents left the phone as they talked.
After a few days, when the door was opened, I saw a man standing, asking what he wanted to ask, “Are you Mithila?” I shook my head, yeah, I’m mithila. You have a letter from the man who handed over the letter. I’m waiting for the man to leave.
I shut the door and I walked into my room, and I was like a broken head. I wasn’t ready to see this scene. I’ve been crying for a long time. I’ve had more trouble seeing the old father-in-law’s eye water.
He’s playing with me. What’s my crime being born black!!! Can’t black girls have a world?
I was a man in the creation of the ‘ I-ness ‘
-Short story.

কমেন্ট করুন