একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ব্যাক্তিত্ব ।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ব্যাক্তিত্ব ।

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সাহায্য করে থাকেন। কারিগরি দক্ষতা আর সৃজনশীলতা থাকলে এ পেশায় সফলতা অর্জন করা খুবই সহজ। আবাসন খাত, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীল ও টেকসই শিল্পনির্ভর উন্নয়নের জন্য একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার’রা চেহারায় স্মার্ট থাকতে না পারলেও তাদের এক্টিভিটি খুবই স্মার্ট। তারা তাদের গার্লফ্রেন্ডদের প্রচুর মূল্যায়ন করে থাকে।
এর একটা কারণ আছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বড় একটা অংশই জঙ্গল কে মঙ্গল করার কাজে নিয়োজিত।

 

জঙ্গল কে মঙ্গল করতে গিয়ে একটা সময় দেখা যায় তাদের চুল, শরীরের কালার জঙ্গীদের ন্যায় হয়ে যায়।
জঙ্গীদের যেমন একাধিক কালার থাকে ঠিক একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের শরীরও দুই কালার।

 

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের গার্লফ্রেন্ড গুলো পাথরের মতো হয়। পাথর যেমন বৃষ্টির ফোটায় তৈরি স্রোতেও স্থানান্তর হয় না তেমনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের গার্লফ্রেন্ডগুলোও সহজে তাদের ছেড়ে যায় নাহ।

 

একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের চুল কখনো ফ্যাশনেবল হবে নাহ, তবে তাদের প্রথম পছন্দ কিন্তু টি-শার্ট। হাতে একটি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, দামী জিনস, আর BATA/LOTTO র কেস৷ পারফিউম এর ক্ষেত্রে তারা খুবই সেনসিটিভ।

 

সিভিল ইঞ্জিনয়ারদের দুপুরের লান্স থেকে রাতের ডিনার’টা অনেক বেশি জাকজমকপূর্ণ হয়ে থাকে। তারা প্রায়ই বাইরে ডিনার করতে পছন্দ করেন।

 

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের গার্লফ্রেন্ড/স্ত্রী কখনো তাদের অবিশ্বাস করেনা। কারণ তারা জানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার’রা নিজের গার্লফ্রেন্ড/স্ত্রী’কে সময় দিতে পারে না সে আবার অন্য মেয়ের দিকে তাকানোর সময় পাবে কোথায়!!!

 

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের স্ত্রী’দের রান্না নিয়ে কোন অভিযোগ থাকেনা। প্রজেক্টের পাশের হোটেল বা বাবুর্চির হাতের রান্না খেতে খেতে সে তার জিহ্বার স্বাদ অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছে।

 

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের স্ত্রী’দের স্বাধীনতা নিয়ে কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। বরং সিভিল ইঞ্জিনিয়ার’রা আত্মীয় স্বজনের দাওয়াত বা পার্টিতে নিজের স্ত্রী’কে পাঠিয়ে দেয়।

 

শপিং এর ক্ষেত্রে সিভিলিয়ানদের প্রথম পছন্দে থাকে জিন্স প্যান্ট আর টি-শার্ট। স্ত্রী’দের কাপড় ধোয়া নিয়ে তেমন অভিযোগ থাকে না কারণ প্রজেক্টে একই পোষাক দুই/তিনদিন পরিধান করে তাহা ডাস্টবিনে ফেলে দেন।

 

সিভিলিয়ানদের সাধারণত রূপচর্চা করতে হয় না। সিভিল কালার সাধারণত দুইটি, একটি এশিয়ান, অপরটি আফ্রিকান। একই শরীরে দুই কালার। একটি সাবান আর একটি শ্যাম্পু যার রূপচর্চার প্রসাধনী, মাঝে মাঝে ফেসওয়াশ ক্রিম টাও থাকে।

 

সর্বোপরি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের স্ত্রী’রা অনেক সুখী হয়। নিজের স্বাধীনতা বলে একটা সুযোগ পেয়ে থাকে।

 

Headlines
error: আপনি আমাদের লেখা কপি করতে পারবেন নাহ। Email: Info@mirchapter.com