মুখোশধারী – হৃদয় মীর।

মুখোশধারী – হৃদয় মীর।

চাঁদ,…
আমার খুব প্রিয় একটা বস্তু।যখনই চাঁদের পূর্ণতা আসে,মন চায় আমার সব কিছু বিসর্জন দিনয় চাঁদের জ্যোৎস্নায় গা ভাসাই।চাঁদটা যেমন ভরা পূর্ণিমায় আকর্ষনীয়,ঠিক তেমনি একটি মেয়ে তার পরিপূর্ণ যৌবনের সীমায় আকর্ষনীয়।পূর্ণিমার চাঁদের মতো সেও রূপবতী। দেখলেই যেন তার মুগ্ধ করা রূপে ডুব দিতে মন চায় সবার।

কিন্তু সে নারী।তার দূর্বলতা অনেক।মাঝে মাঝে তার ব্যক্তি জিবনকে সকলের সামনে অনায়াসে বিশ্বাসের ভিত্তিতে উন্মুক্ত করে।বিশ্বাস করা তার বিরাট দুর্বলতা।হুট করে বিশ্বাস করাটা তার স্বভাব।
কিন্তু তার এই দূর্বলতার জন্য সবার চোঁখে আজ সে কামনার আকাঙ্ক্ষা ।ছদ্ধবেশী বিশ্বস্ত বন্ধুরাও তার কাপড় খোলার ধান্ধায় আছে।ছিঃ কি জঘন্য ।
ভালো বন্ধু আর চোঁখে, মনে লিপ্সা নিয়ে আর কত দিন ভালো থাকা যায়!
সামনাসামনি সে আমার মায়ের মতো,কিন্তু বন্ধুদের সাথে চুটিয়ে আড্ডা দেয়ার সময়ই আমার বা আমাদের আসল রূপটা প্রকাশমান হয়।বিশ্বাসে আসক্ত মেয়েটির কাছে যে-ই সামনে মুখোশ পড়ে যায় তার কাছেই দুর্বলতার প্রকাশ ঘটায়।মানে জিবনের ইতিবৃত্ত তুলে ধরে।কিন্তু এই দুর্বলতাই একদিন তাকে খুব বড় সাজা দেবে।সেটা আমি এখন তাকে বলে বুঝাতে পারবোনা,বুঝাতে পারবোনা যে,হাজার মুখোশধারী বন্ধুর মধ্যেও এমন কেউ আছে যে তার ক্ষতি বা অসম্মান চায় না।
কিন্তু কেন সে তা বুঝতে চাইবে!

সে তো এখন আর আবেগের তাড়নায় নেই,এখন সে বিবেক দিয়ে বুঝে।তবে সেটাও ভুল হতে পারে হয়তো সেটা তার ধারণায় নেই।
হয়তো সে ভাবে অন্যদের মত আমি তার ক্ষুধায় ক্ষুধার্থ।হ্যা,যদি তা-ই ভাবে তাহলে আমি ক্ষুধার্ত -ই।আসলে সব কিছু নির্ভর করে একটা মানুষের চিন্তা ধারার উপর- কে মুখোশধারী আর কে প্রকৃত।

Headlines
error: আপনি আমাদের লেখা কপি করতে পারবেন নাহ। Email: Info@mirchapter.com
google.com, pub-4867330178459472, DIRECT, f08c47fec0942fa0