একটি বাসর রাত।- মীর সজিব

18254063_819119758241001_130999378_n
বৃষ্টি মানেই অবসর সময় কাটানো। চারপাশটাও একটু প্রেমময় লাগছে।
অবসর সময় কাটাতে ফেসবুকে লগিন হলাম।কিছুক্ষণ পর দেখি একটা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট, Umme Zessy।
 মেয়ে আইডি দেখে উৎফুল্লতা সহিত আইডিতে ইনফো চেক করলাম। রিয়েল আইডি মনে হল, সাথে সাথে একসেপ্ট করলাম।
একসেপ্ট করার কিছুক্ষণ পরেই একটি মেসেজ আসে একসেপ্ট করা আইডি থেকে।
জেসি: hi
আমি: hello
জেসি: আমি জেসি।
আমি: হুম আপনার নাম দেওয়া আছে।
জেসি: ফেসবুকের Find Friend লিস্টে আপনার নামটি দেখাচ্ছিলো, আপনার আইডিটা দেখে ভালো লাগে তাই আপনাকে Friend Request  পাঠানো। 
আমি: হুম বুঝলাম । তবে আপনার আইডিতে আপনার নিজের কোন ছবি খুজে পাইনি। 
জেসি: ওরে বাবা, Friend Request মাত্র  Accept করলেন, এত অল্প সময়েই ছবি খুজা শুরু করলেন? মেয়ে আইডি দেখলেই বুঝি এমন করেন।
আমি: (নিজের মধ্যে একটু লজ্জা অনুভব করলাম) আসলে আমি আপনাকে এভাবে বলতে চাইনি। 
জেসি: হাহাহাহাহাহাহা…. আমি আপনার সাথে মজা করতেছি ।
আমি: সুন্দরি মেয়েরা এমনি হয়। 
জেসি: আামি কিন্তু সুন্দরি নয়।
আমি: সুন্দরি মেয়েরা কখনো নিজেকে সুন্দরি বলে না। ( একটু পাম দেওয়ার চেষ্টা) 
আমাদের দু’জন এর মধ্যে চ্যাটিং চলতে থাকে।
এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পর আমাদের মাঝে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে।
আমরা প্রতিনিয়তই একজনের সাথে আরেকজন কথা বলি। যতই সময় যায় আমরা যেন একজনের প্রতি আরেকজন দুর্বলতা অনুভব করতে শুরু করি।
 আমরা বন্ধুর মতোই কথা বলি।
 জেসি একটি প্রাইভেট ভার্সিটি থেকে অনার্স করছে।
আমি একটি প্রাইভেট ফার্মে জব করি।
হঠাৎ একদিন জেসি বলে, কুমিল্লা শালবন বিহারে ঘুরতে আসবে 
 জেসির নাকি অনেক দিনের শখ।
 তো আর কি করার, আমিও অফিস থেকে একদিনের ছুটি নিলাম।
জেসির সাথে এই আমার প্রথম দেখা হবে।
 নিজেকে অনেক নার্ভাস লাগছে, 
এই প্রথম কোন মেয়ের সাথে সরাসরি দেখা করতে যাবো।
জেসি সরাসরি কুমিল্লা শালবন বিহারে আসে আমিও যথা-সময়ে কুমিল্লা শালবন বিহারে এসে উপস্থিত হলাম।আপনাদের বলা হয় নি, জেসি আমাকে কখনো  ফেসবুকে ছবি দেয় নি, আমিও ওর কাছ থেকে চাই নি।
আমাদের মাঝে বিশ্বাস টাই বেশি কাজ করতো।
 কুমিল্লা আসার আগে আমাকে ও বলেছিল নীল শাড়ি পরে আসবে। মোবাইল নাম্বার তো আছেই।
অবশ্য আমাদের একজনকে আরেকজন চিনতে অসুবিধা হয় নি।
জেসিকে প্রথম দেখাতেই আমি যেন হারিয়ে গেছি অন্য জগতে মানুষ কীভাবে এত সুন্দর হতে পারে ? 
আমার সামনে ঠিক যেন একটি নীল পরী দাড়িয়ে আছে।
 জেসির ডাকে আমার ধ্যান ভাঙ্গলো।
আমি দুজনের টিকেট নিয়ে বিহারে প্রবেশ করি।
 আমাদের আসার কিছুক্ষণ আগেই বসন্তের বৃষ্টি হয়ে ছিলো। 
বৃষ্টি হওয়ার কারণে পরিবেশটায় অন্যরকম লাগছে।
মনে মনে আল্লাহকে ধন্যবাদ জানালাম।
আমরা দুজন বিহারের ভিতর ঘুরতে শুরু করি।
 বিভিন্ন কথোপকথন হচ্ছে আমাদের মাঝে ।
হঠাৎ জেসি আমার ডান হাতে ধরে। 
আমি চমকে উঠলাম তবে কিছু বলি নি। হাত ধরেই বলে আমি তোমার এ হাত সারাজীবন এর জন্য ধরে রাখতে চাই।
আমি শুধু বললাম এই সুন্দরীর হাত কি ছাড়া যায় বলো। 
 জেসি ছোট্ট করে কিউট একটি হাসি দিলো।
 আমরা হাঁটতেই থাকলাম আমাদের মাঝে কয়েক মিনিটের জন্য নীরবতা বিরাজ করে।
নীরবতা ভেঙ্গে আমিই তাকে বললাম Will You Marry Me???
জেসি আমার চোখের দিকে মিনিট খানের মতো তাকিয়ে থাকলো,
তারপর নিজেই আমার বুকের মাঝে মুখ গোঁজে ছোট বাচ্চার মতো কান্না শুরু করে বলতে থাকে তোমাকে আমি হারাতে চাই না।
আমি তার কান্না থামিয়ে বলতে শুরু করলাম পাগলী মেয়ে তোমাকে ছেড়ে আমি কোথায়ই যাবো বলো??
এভাবেই আমাদের মাঝে অনেক কথা হল।
দিন ঘনিয়ে বিকেল আসলো আমাদের ঘুরাফেরা ও শেষ হল।
তারপর আমি জেসিকে বাসায় পৌছে দিয়ে নিজের বাসায় চলে আসি।
কিছুদিন পর আমার ফ্যামিলি থেকে বিয়ের জন্য খুব জ্বালাতন শুরু করে।
 কি-আর করার উপায় না দেখে ভাবীকে জেসির কথা বলি।
ভাবী, তো আমার গালে চিমটি কেটে বলে এতদিন হয়ে গেলো আর আমাকে জানানো হয় নি।
যাহ তোর হয়ে আমি বলবো না, আরেক মসিবত, 
 ভাবীকে সরি-টরি বলে মানালাম।
আমার আর জেসির পরিবারের মতামতেই আমাদের দুজনের বিয়ে সম্পন্ন হল। আজ আমাদের বাসররাত, প্রস্তুতি নিচ্ছি সবাই দোয়া করবেন।
আবার একটু একটু ভয় ও পাচ্ছি। 

 

It’s raining. The Charpah is a little adorable
I was on Facebook to spend your leisure time. After a while I see a friend request, Umme Zessy.
Check the info on ID with the girl IDs. The real ID seemed to be the same
Shortly after the opt-out, a message comes from the opt-out ID
JC: Hi
I: Hello
JC: I’m JC.
Me: HM your name is given.
JC: Facebook Find your name on the Friend’s list, it’s nice to see your ID so send a Friend Request
I: Hmm. But you can’t find any pictures of yourself in your ID.
JC: My father just Accept Friend’s Request, so little did he start filming? You see the girl ID
Me: (I felt a little embarrassed by myself) I didn’t mean to tell you this
JC: Hahahahaha… I’m joking with you.
I: Ladies
JC: I’m not
I: Ladies never own a self. (Trying to give a little palm)
Chatting between our two of them continued.
This is how a friendly relationship develops between us after a few days.
We have a very, very damning conversation with someone. The more time we go, the more we start to feel one another’s weakness.
We talk like friends.
Jesse is doing the honours from a private university.
I do job in a private farm.
All of a sudden, Jussi says, ‘ Cumeilla is going to visit a Shalbon Biswas
Jir or a hobby of a long day.
So what else to do, I took a one-day holiday from office
This is my first time meeting with JDC.
I feel so nervous,
This is the first time you’re going to see a girl live with.
Jussi came directly to Kumilla Shalbon, and I arrived at the Kumilla Shalbon Biswas in the evening. You haven’t been told, Jesse never gave me a picture on Facebook, I didn’t want him.
We had more work to do
Before coming to Kumilla, he told me he would come wearing a blue saree. Mobile number is there
Of course, one of us didn’t seem to recognize another.
How can people in other worlds be so beautiful that I’m lost in the first show of Jesse?
There’s a blue fairy standing right in front of me.
Jir calls out my attention
I get two tickets.
We had spring rain shortly before we arrived.
It’s a different environment because it’s raining
I thank God.
We both started to travel through the Bihar.
Different conversations are between us.
Suddenly JC caught my right hand.
I was shocked, but I did not say anything. I want to hold your hands for this forever
I just said, go without this beautiful hand
Jussi is a little bit cute.
We look forward to walking in silence for a few minutes
Breaking the Silence I told You Marry Me???
JC Look at my eyes like a minute Khan,
I don’t want to lose you if I start crying like a little kid in my chest
I started to stop crying and tell the girl to go to the other side of the alley?
That’s how a lot of us talk.
The day was approaching, and we ended
Then I came home to Jesse and went to my home.
After a few days, my family started to start burning
I’d like to talk to Jir about the way to do it
I’m not supposed to have a pinch of my cheek and I’m not told
I’m not going to tell you, another simbet,
I’m sorry
Both of us and Jir’s family were married. Today, we will pray for our father
I’m a little scared.
print

কমেন্ট করুন