তবুও গাংচিল আকাশ ভালবাসে- আয়েশা ফারিয়া।

28828075_389544938194635_6957448889004206550_o

একটা চিঠি লিখবার কথা ছিল; লেখা হলো না। একটা উপন্যাস হবার কথা ছিল; ছোট গল্প হলো। কথা থাকবার কথা ছিল অনন্তকাল, তবু কথা ফুরোল। প্রকৃতির নিয়মে সব গাছে কৃষ্ণচূড়া, আমার চিঠি এলো না। ফিরতি চিঠির দায় নেই। এই যে দিনের পর দিন অপেক্ষা করে আছি, পেয়ে গেলেই তো সব শেষ!
অপেক্ষা সেই বরং ভাল! 

দিনশেষে প্রয়োজনটুকুই সব।প্রয়োজন শব্দটুকুও বড় বেশি প্রয়োজনীয়। এই যে দিন কাটতে চাইছে না; কাউকে প্রয়োজন। যাকে প্রয়োজন সে আবার চড়ুই ভালবাসে। আমি কোনো রকমভাবে বেঁচে থাকি। কোনসময় যে মাটির নিচে বসবাস গড়তে হয় কে জানে! চোখে জল সাধারণ;ক্ষণে ক্ষণে বিরতি দিয়ে চোখের কোণে জল.. সে জল বড় বিচ্ছিরি। অশ্রু মুছে দিতেও কাউকে প্রয়োজন। কেউ বুক পেতে দিক,আর কতই বা কান্না জমানো যায়? স্নেহ নিয়ে মাথায় হাত রাখুক কেউ.. সবেতেই প্রয়োজন!


চড়ুই-এর দৌড় তো এ ডাল-ও ডাল; কিচির মিচির করে জগৎ মাতিয়ে রাখে।আকাশ চেনা পাখির খাঁচায় বড় আপত্তি। যতই শুনুক আকাশে বসার জায়গা নেই, আকাশে যত্ন নেবার কেউ থাকে না; তবু তারা আকাশ ভালবাসে।আকাশে থেকে তারা চোখ মাটিতে রাখে; তবুও তারা আকাশ ভালবাসে।
গাংচিল মাত্রই জানে আকাশই সবথেকে বড় খাঁচা.. সে খাঁচায় কোনো আকাশ থাকে না!

 

print

Hits: 6

কমেন্ট করুন