সবকিছুতেই ভেজাল মাননীয় স্পীকার।

সবকিছুতেই ভেজাল মাননীয় স্পীকার।
রুপপূরেরর বালিশ দূর্নীতি বাদ ই দিলাম মাননীয় স্পীকার,
নিত্যপণ্যের সীমানা পেরিয়ে এবার মাদকেও ভেজাল, নেশাদ্রব্যের বদলে রাসনা! এ কেমন বিচার মাননীয় স্পীকার।
ভিডিও নিয়েও মহা দূর্নীতি মাননীয় স্পীকার।
ডিসি করলো ২৮ মিনিট আর পাবলিক পাইলো- ৪ মিনিট।
এই কেমন বিচার মাননীয় স্পীকার।
সব থেকে বড় ভেজাল মাননীয় স্পীকার পাবলিক বাসগুলোতে, বাসে মোটা অক্ষরে লিখা থাকে সামনে ৬/৯ সীট মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ। কিন্তু মাননীয় স্পীকার আপনি শুনে অবাক হবেন এই সীট গুলো মহিলারা’তো পায় ই না, বরং এইগুলো থাকে কিছু মধ্যবয়সী পুরুষের দখলে। আমি নারী দিবসে নারীদের শুভেচ্ছা জানাতে চাই নাহ, আমি শুভেচ্ছা জানাতে চাই মহিলা সীটে বসে থাকা পুরুষগুলোকে।
মাননীয় স্পীকার পুরুষ মানুষগুলোও অনেক চালাক হয়ে গেছে, স্ত্রীদের সাথে ঝগড়া করে তারা অফিস থেকে ফেরার পথে ৩ কেজি ছোট মাছ নিয়ে আসে মাননীয় স্পীকার।
অবাক হয়ে যাই মাননীয় স্পীকার যখন রোহিঙ্গারা বলে এই দেশ নাকি তাদের। নিউজে যখন দেখি রোহিঙ্গাদের হাতে বাংলাদেশী খুন।
বিশ্বাস করবেন না মাননীয় স্পীকার এখন এই লেখাটাও কপি হয়ে যাবে মাননীয় স্পীকার।
লেখা ঃ মীর সজিব।

কমেন্ট করুন