ভালোবাসার প্রাকটিসে শুধুই একজনকে নয়- শিল্পী জুলী।

এক প্রেমিক মনের যুবক কনের বিয়ের আসরে এসে তার বাবামাকে এলোপাথারি ছুরি মারতে মারতে বাবাকে পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছে। মা’ও বাঁচবে কিনা বলা মুশকিল। এখনও তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
সত্যিকারের প্রেমিক পুরুষের সবার প্রতিই দরদ অনুভূত হবার কথা। তাছাড়া, প্রেম যদি হয়ও তবুও কেউ চাইলে সেই প্রেম থেকে মুক্ত হবার অধিকার রাখে। এমন কী বিয়ের পরও বিয়ে ভেঙে যায় মানুষের– একপক্ষ না চাইলেও তাকে মেনে নিতে হয়। অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং পরিস্হিতি। তথাপি অনেককেই এই পরিস্হিতির ভেতর দিয়ে জীবন নির্বাহ করতে হয়।
রিজেকশনকে হ্যান্ডের করতে না পারা মানসিক দূর্বলতা। প্রেমের দোহাই দিয়ে কাউকে খুন করা, কারও জীবন অতিষ্ট করে তোলা, হুমকি- দামকি দেয়া, বা নিজে মরে যাওয়া সবই মানসিক অসুস্হতা বা উইকনেস। এগুলো অবশ্যই কাটিয়ে উঠতে হবে।
প্রেম একটি ক্ষণস্হায়ী ঘোর যা সময়ের সাথে সাথে ভিন্ন ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়। কোন প্রেমের জন্যেই কাউকে খুন করা চলে না। কারও লাশের উপর ঘর বাঁধার স্বপ্ন কখনও পরিণতি পায় না, আবার পেলেও সুখের হয় না। ভালোবাসার নামে এ জাতীয় এক্সট্রিম পদক্ষেপে মানুষের ভালোবাাসার ক্ষমতাও হারিয়ে যায় ঘটনার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায়।
ভালোবাসার প্রাকটিসে শুধুই একজনকে নয় গোটা মানবসমাজকেই ভালোবাসতে শিখতে হয়। নিয়মিত মানবিকতার চর্চা করতে হয়। এই চর্চা সব ধরণের সংকীর্ণতা থেকে মানুষকে মুক্ত রাখে।
সত্যিকারের প্রেমিক কখনও তার প্রেমিকাকে পিতৃহীন করার মত পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।