নিষিদ্ধ রাতের অনুভূতি(২য় পর্ব)- শুভ্র ভৌমিক জয়।

নিষিদ্ধ রাতের অনুভূতি(২য় পর্ব)- শুভ্র ভৌমিক জয়।

সেইদিনের মর্মাহত গানটি শেষ হয়েছিল ঠিকই কিন্তু বেশ কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া পূর্নিমার আতঙ্কিত রাতের কাছে গানটি সত্যিই হার মানায়।হঠ্যৎই বন্ধুর ফোন!লেখকের কাছে বলতে শুরু করলো সেই রাতের স্বচিত্রসহ বর্ননা…..
> নিজের গ্রাম মাধবপুরে ফিরছে নীলা।তার পুরো নাম নীলা সিংহ রায়।পরিবারের একমাত্র আদুরে সন্তান।সে রায়পুর কলেজের বি.কম ফাস্ট ইয়ারের ছাত্রী।সেমিস্টার শেষে ফিরছে নিজের দেশের বাড়িতে।রাস্তার দুইপাশে ঘন শাল-সেগুন-পলাশের জঙ্গল।শন শন করে বইছে ঠান্ডা হাওয়া। দূরে জঙ্গলের গভীরে ডাকছে নিশাচর কোনাে পাখি।থমথমে চারিদিক অদ্ভুত এক নীরবতা বিরাজ করছে।উপরে আকাশে গােল পূর্ণিমার চাঁদ,সমগ্র বিশ্বচরাচর ভাসছে রূপালী জ্যোৎস্নায়।সারা পৃথিবী যেন রূপাের চাদরে মােড়া!না,ট্রেনটা।

 

আজ ভালােই লেট করেছে, অনুভব করল নীলা।পৌঁছানাের কথা ছিল রাত সাড়ে ন’টায়, আর সে গড় আখাউড়া স্টেশনে পৌঁছেছে রাত সাড়ে এগারােটায়। যখন সে পঞ্চকোট স্টেশনে ট্রেন থেকে নামলাে তখন সারা প্ল্যাটফর্ম নির্জন, সুনসান। স্টেশন মাস্টারের ঘরে টিমটিম করে আলাে জ্বলছে।আকাশে পূর্ণিমার গােল চাঁদ যেন
মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলছে। গেস্টরুমে শুধু চারজন দেহাতী যাত্রী রাতের শ্রীমঙ্গল – সিলেটের ট্রেন ধরার জন্য অপেক্ষা করছে।নীলার মনে হল আজ রাতটা গেস্টরুমে ঐ যাত্রীদের সাথেই কাটিয়ে দেয়। তারপরেই মনে পড়ল সে মা-বাবাকে জানিয়ে রেখেছে যে, আজই সে বাড়ি ফিরছে। আর এখন যে সে জানাবে যে, সে আর আসতে পারছে না তারও কোনাে উপায় নেই। ট্রেনে আসতে আসতে কখন যে তার ফোনটা সুইচ অফ হয়ে গেছে তা সে খেয়ালই করে নি।

 

সেখানে চার্জিং পয়েন্টার আছে ঠিকই কিন্তু সেগুলি কাজ করছে না।নীলা ভাবল,আজকে যদি সে বাড়ি না যায় তাহলে তার বাবা-মা তার জন্য রাত
জেগে থাকবে। না,এ সে কোনাে মতেই হতে দিতে পারে না।আরেকটা কারণও ছিল সর্বক্ষণ তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়।এই ভয় তাকে গত দু’বছর বাইরের কোথাও খােলা আকাশের নীচে রাত কাটাতে দেয় নি।বিশেষ করে পূর্ণিমার রাত তাে একেবারেই নয়।যাই হােক, সারা পৃথিবী চাঁদের আলােয় ভাসছে।দিগন্তে ধূসর পাহাড়শ্রেণী।নীলার মনে হল,চাঁদের আলােয় একা একা বাড়ি ফিরতে অসুবিধা হবে না কোনাে। এখান থেকে তাদের গ্রাম বিশালগড় মােটামুটি ১৪ কিলােমিটার দূরত্বে।এখন হাঁটতে শুরু করলে সে মােটামুটি রাত দুটোর মধ্যে বাড়ি পৌঁছে যাবে। কিন্তু সে কি জানে,তার ভয় তার পিছু ধাওয়া করছে! ভয় তাকে তার অনিবার্য পরিণতির দিকেই টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

 

অবস্থা সম্পন্ন জমিদার বাড়ির মেয়ে নীলা। তার বাবা প্রদীপ সিংহ রায়।বিশালগড় থেকে মােটামুটি দেড়শাে কিলােমিটার দূরত্বে ছােট নাগপুরের পাহাড়-জঙ্গলের পটভূমিতে অবস্থিত প্রতাপগড়ের জমিদার।সেখানে তিনি ও তাঁর ভাই অজিত সিংহ রায়ের দাপটে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খায়।কিন্তু চিরদিন কারাের সমান যায় না।সিংহরায় বংশের আকাশেও একদিন ঘনিয়ে এলো কালাে মেঘ।একদিন গভীর জঙ্গলে শিকার করতে গিয়ে প্রেমে পড়েন অজিত সিংহ রায়।

 

বিস্তারিত ভাবে ঘটনাটি বলা যাক….
একদা প্রতাপগড়ের জঙ্গলে সেগুন কাঠ আর শালপাতা সংগ্রহে যাওয়া কাঠুরেদের কাছে মূর্তিমান ত্রাস হয়ে উঠেছিল এক হিংস্র বাইসন(ঘন লোমযুক্ত হিংস্র যানোয়ার)। ঐ বাইসনটির সামনে পড়লেই অবধারিত ছিল মৃত্যু; যেন সে সাক্ষাৎ যমদূত।কাঠুরে আর জেগে ওঠা ঐই বাইসনটিকে নিধন করতেই কয়েকজনকে নিয়ে শীতের সকালে রােদের আমেজ গায়ে মেখে জঙ্গলে আগমন অজিতের।কিন্তু, দুর্ভাগ্যবশত ঘন জঙ্গলের কুহেলিকাময় মায়াবী পরিবেশে পথ হারান তিনি। তাও মনােবল অটুট ছিল তার।অজিতের মনে হয়েছিল,কাছাকাছি যেখানে কোনাে পাহাড়ী ঝর্ণা বা জলাশয় আছে তার আশেপাশেই আস্তানা গেড়েছে বাইসনটি।

 

কিছুদূর যেতেই তার কানে প্রবেশ করল পাহাড়ী ঝর্ণার কুল কুল শব্দ।সাথে রাখা দেশী গাদা বন্দুকটিতে বারুদ ভরে কিছুদূর গিয়েই অজিত দেখতে পেলেন অপরূপ এক দৃশ্য যা তার মন ছুয়ে গেল।ছােট্ট পাহাড়ী নদী সৃষ্টি করেছে পাহাড়ী এক ঝরণা।

 

লেখকের ভাষায় তা,
“তরলিত চন্দ্রিকা চন্দনবর্ণা”
আর সেখানে স্নানরত অবস্থায় যৌবনা এক অপরূপা সুন্দরী।তার দিকে চোখ পড়তেই তার শরীরে নিবদ্ধ হয়ে গেল দৃষ্টি।মাথা আর মন থেকে উঠেই গেল হিংস্র বাইসনটির কথা।

 

সুস্তনী মােহময়ী সুন্দরী যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা কোনাে এক অপ্সরা,নতুবা সে কোনােও এক জলপরী।যেমন ভাবে মুগ্ধ হয়ে ঐ অপ্সরীর দিকে চেয়েছিলেন অজিত।ঠিক তখনই এক সময় ঐ সুন্দরী তাকালাে অজিতের দিকে।চোখে চোখে হয়ে গেল কত কথা!সুন্দরীর রূপে মগ্ন হয়ে গেছিলেন অজিত।হয়তাে বা মগ্ন হয়ে গেছিল সুন্দরীও।এই সময় কোথা থেকে মূর্তিমান ত্রাসের মতাে উপস্থিত হলাে
বাইসনটি কাছাকাছি ঝােপ-জঙ্গলে কোথাও লুকিয়েছিল হয়তাে।চমকে উঠলেন অজিত।ভয় পেয়ে বিহ্বল হয়ে গেল মেয়েটি।ভয় পেয়েছিলেন অজিতও কিন্তু ক্ষণিকের চমক কাটিয়ে তিনি হাতে তুলে
নিলেন গাদা বন্দুক আর মুহূর্তের মধ্যে গুলির ছররায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল অজিতের দিকে প্রচণ্ড গতিতে ধাবমান বাইসনটি।মুহুর্মুহু চলতে লাগল গুলিবর্ষণ। এক সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়ল বাইসনটির প্রাণহীন রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ।

 

অবশেষে খতম হল প্রতাপ গড়ের ত্রাস। কিন্তু,সুন্দরী কোথায় গেল!তাকে তাে কোথাও দেখা যাচ্ছে না।এই সময় সিক্ত
বসনে ধীরে ধীরে জল থেকে উঠে এল সেই সুন্দরী মােহিত হয়ে।গেলেন অজিত যেন কামদেবের শর তার হৃদয় বিদ্ধ করল।
> অজিত জিজ্ঞাসা করলেন তার নাম।
> মৃদুস্বরে সুন্দরী উত্তর দিল-‘ মল্লিকা’।
উদ্বেল হয়ে গেল অজিতের হৃদয়, তিনি ছুটে এসে জড়িয়ে ধরলেন মল্লিকাকে।আদর ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলেন তার সারা শরীর। তারপর তাকে নিয়ে ফিরে এলেন জমিদার বাড়িতে।
বিজয়ী হয়ে প্রতাপগড়ে ফিরে এলেন অজিত।এর আগেই অজিতের দলছুট হয়ে নিখোঁজ হবার সংবাদ বাড়ির সবার কানে পৌঁছেছিল দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছিল সকলে।এই সময় যখন মল্লিকাকে সাথে নিয়ে বাড়িতে এলেন অজিত আর সকলে জানতে পারল অজিত সফল।
বাইসনটি নিধন করতে সারা গ্রাম ভেসে গেল আনন্দের জোয়ারে। মল্লিকা কে,কি তার পরিচয় বৃত্তান্ত কেউ জিজ্ঞাসা করল না।এর কিছুদিন পর কুলদেব তাকে সাক্ষী মেনে ধুমধাম করে মল্লিকাকে বিয়ে করলেন অজিত।কিন্তু, অজিতের বিয়ের পর সারা গ্রামের বুকে নেমে এলো আতঙ্কের কালাে ছায়া।

 

প্রত্যেক পূর্ণিমার রাতে গ্রামের সম্পন্ন বাড়ি থেকে গরু- ছাগল-ভেড়া-বাছুর সব নিখোঁজ হতে লাগল। পরের দিন সকালে দূরের কোনাে ভাগাড়ে বা শ্মশানের কাছে পাওয়া যেত সেগুলির রক্তশূন্য প্রাণহীন দেহ।চিন্তিত হয়ে পড়ল গ্রামবাসী।যথারীতি আজও খবর এলো অজিতের কাছে যে আজও সেই আততায়ীর মেলায় দুলছে গ্রামবাসী।তিনি কিছু বাছাই করা সেনা-পাহারাদার নিয়ে সারা রাত দাপিয়ে বেড়াতে লাগলেন সারা গ্রাম ও কাছের পাহাড়-জঙ্গল কিন্তু খুঁজে পেলেন না কোনো কিছুই।আততায়ী কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় কেউ জানে না আর সবচেয়ে বড় কথা হলো তাকে কেউ দেখেই নি বারবার বিভ্রান্ত হতে লাগলেন অজিত কিন্তু আততায়ীর দাপট বাড়তে লাগলেন দিন দিন।আর সে গরু-ছাগলের রক্ত পান করে সন্তুষ্ট হয় না এখন তার লক্ষ্য হল মানুষ।গভীর জঙ্গলে কাঠ কাটতে যাওয়া নিরীহ কাঠুরেরা আজ সেই অভিশাপের দ্বারে।গহীন জঙ্গলে প্রতি পূর্ণিমার রাতের পরের দিন সকালে পাওয়া যেত তাদের রক্তশূন্য প্রাণহীন নিন্তেজ দেহ। কাঠুরেদের পরে শিকার হতে লাগল সেই সরল গ্রামবাসীরা।অসহায় বোধ করতে লাগলেন অজিতIসারা গ্ৰাম কাঁপতে লাগল পূর্ণিমা রাতের আতঙ্কে।

 

গভীর রাতে বিলাশ বহুল পালঙ্কে ঘুমিয়ে ছিলেন অজিত।হঠাৎই ভেঙে গেল তার রাতের ঘুম জানালা দিয়ে এসে পড়েছে চাঁদের রূপালী আলেক্ষ্ণ।
আজ পূর্ণিমা!
সারা বিশ্বচরাচর জোৎস্নায় ভাসছে‌ কিন্তু এই আলোকিত রাতে অজিত চমকিত হয়ে দেখলেন তার সুন্দরী শ্রী মল্লিকা তার পাশে নেই।মহলের কেথায়ও মল্লিকাকে খুঁজে পেলেন না অজিত।

 

কিন্তু ঘাবড়ালেনও না তিনিIএরকম কিছু একটা তিনি আগেই আন্দাজ করেছিলেন। রাইফেল আর গুলির কার্তুজ নিয়ে তিনি চেপে যাচ্ছেন। তার ঘোড়ার গন্তব্য রামগড়ের জঙ্গল।এই জঙ্গলে মানুষ রাতে কেন দিনে যেতেও ভয় পায়।সবাই বলে এখানে কিছু একটা আছে যেটাকে ঠিক যুক্তি-বুদ্ধি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।যেটা চরম অশুভ আর চরম অমঙ্গলকারী। জঙ্গলের ভেতর আছে এক শ্মশানকালীর মন্দির। সবাই বলে, এখানকার দেবী জাগ্রত।অশুভ শক্তির উপাসকেরা তাদের অশুভ কাজ করার অাগে দেবীর উপাসনা করে তাঁর কাছে শক্তি প্রার্থনা করে। ওখানে আসে পিশাচিনী আর শাঁকচুন্নীরা! ওখানে আসে ডাকিনী যােগির্নীরা!! এই স্থান অতি ভয়ঙ্কর!অতি বিপজ্জনক! আজকের রাতে এটাই অজিতের গন্তব্যস্থল।শ্মশানকালীর মন্দিরের সামনে এসে পূর্ণ হল অজিতের অভিলাশা।অজিত জানতেন যে,আততায়ীর মূল লক্ষ্য অবিবাহিত যুবকেরা। সেই থেকে অজিত আন্দাজ করেছিলেন আততায়ী একজন পিশাচির্নী।যে নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নিরীহ মানুষের হত্যা করে রেড়ায়।
সেই আগে থেকে কিছুটা হলেও সন্দেহ করেছিলেন মল্লিকাকে কিন্তু তার দুঃস্বপ্ন যে এইভাবে সত্যে পরিণত হয়ে তা তিনি কােনাে দিন কল্পনাও কারন নি তিনি। প্রথম থেকেই মল্লিকার আচরণ ছিল সন্দেহজনক।বাসর রাতেই অজিত দেখেছিলেন মল্লিকার রক্তের প্রতি অদ্ভুত এক আসক্তি।ত্রিঘরীর মন্দিরের মহাদেবের মন্ত্রপূত ত্রিশূল আর গুলিভরা রাইফেল নিয়ে শ্মশানকালী মন্দিরে পৌঁছালেন অজিত।সেখানে মল্লিকাকে তার প্রকৃত রূপে দেখে চমকে উঠলেন।ভয়াল ভয়ঙ্কর সাক্ষাৎ এক ‘পিশাচির্নী,নগ্ন মানবী থেকে পরিবর্তিত হচ্ছে তার আসল রূপে। অনেকটা বন-বিড়ালের মতো।লোমশ শরীর,মুখের দুকোশ যেয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্ত,লোমশ দুই হাত আর আঙ্গুলের ডগায় ধারালো লম্বা নখ,দুই চোখ দিয়ে যেন আদিম হিংস্রতা প্রতিফলিত হচ্ছে একে একে। ব্যাপারটা জালের মতো পরিষ্কার হলো অজিতের কাছে।মল্লিকা তার যৌবন দিয়ে প্ৰলুব্ধ করতো গ্রামের সাধারণ যুবকদের।তারপর তাদের রামগড়ের জঙ্গলে এনে তাদের ভাবলীলায় মত্ত করত। এখনাে তার সামনে পড়ে আছে এক উনিশ-কুড়ি বছরের যুবকের দেহ।পতঙ্গ যেমনি প্রদীপ শিখার দিকে ধয়ে এসে পুড়ে মরে ঠিক তেমনি।

 

আর দেরি করা চলার না। পিশাচিনীকে লক্ষ্য করে এলোপোথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলেন অজিত।অজিত যেহেতু পিশাচিনীর পেছনে ছিলেন তাই পিশাচিনী লক্ষ্য করেনি তাকে।অাতর্কিত গুলিবর্ষণে চমকে উঠল পিশাচিনী!কিন্তু ততক্ষণ সে মারাত্মকভাবে আহত।শেষমেষ তীব্র হিংস্র গর্জে ছুঁ করে অজিতের দিকে তেড়ে এলো মল্লিকা। তার গর্জনে কাঁপতে লাগল রামগড়ের পাহাড়-জঙ্গল কিন্তু ভয় পেলেন না অজিত।তিনি তার পাঞ্জাবীর পকেট থেকে বের করলেন মহাকালের মন্ত্রপূত রুদ্রাক্ষ আর সেটা ছুড়ে মারলেন পিশাচিনীর দিকে৷ ঈশ্বরের অপার মহিমায় সেটা গিয়ে পড়ল দানবীর গলার উপর ! কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে নিস্তেজ হয়ে শুয়ে পড়ল পিশাচিনী।এরপর অজিত পিশাচিনীর বুকে বসিয়ে দিলেন মহাদেবের ত্রিশূল।

 

শেষ হল সেই পূর্ণিমা রাতের আতঙ্কিত অধ্যায়টি।কিন্তু সেরকম আতঙ্ক যেন শেষ হইয়াও হইলো না শেষ!
(অসমাপ্ত)
Headlines
error: আপনি আমাদের লেখা কপি করতে পারবেন নাহ। Email: Info@mirchapter.com
google.com, pub-4867330178459472, DIRECT, f08c47fec0942fa0